পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী বাটোয়ারার নির্মম বলি ইউক্রেন


 

২০১৩ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ইয়ানোকোভিচের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রত্যাশিত চুক্তি স্বাক্ষর  ভেস্তে যায়। ইইউ যে পরিমান ঋণ দিতে চায় তার চেয়ে অনেক গুন শর্ত আরোপ করায় ইয়ানকোভিচ আরো  সময় নিতে চায় এবং সাম্প্রতিক আর্থিক সঙ্কট মোকাবেলায় রাশিয়ার ১৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ, গ্যাসের মূল্য এক- তৃতীয়াংশ কমিয়ে দেওয়া সহ অনুকূল বানিজ্য সম্পর্কের প্রস্তাব গ্রহণে রাজি হয়। এই সিদ্ধান্ত ইইউ, আমেরিকা এবং ইউক্রেনে ইউরোপের স্বার্থ সংরক্ষনে অঙ্গীকারবদ্ধ দল গোষ্ঠীকে ক্ষেপিয়ে দেয়। শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে রাশিয়াপন্থী বনাম ইউরোপন্থী বিভাজন মুর্ত হয়ে উঠে। এটাই বর্তমান ঘটনার সূত্রপাত, সঙ্কটের শুরু।

তথাকথিত বিরোধী দলসমূহ কিয়েভ শহরের রাস্তায় নেমে পড়ে। সরকারকে ইইউ ভুক্ত হওয়ার দাবি জানায় যদিও প্রস্তাবিত ঋণশর্তে ইইউভুক্ত হওয়া বা নাগরিকদের অবাধে ইউরোপ ভ্রমন নিয়ে কিছু ছিল না। ইউরোপে গিয়ে  কাজ করে সুদিন ফিরিয়ে আনবে এই ভ্রান্ত আশায় কিয়েভ শহরের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ  আন্দোলনে শামিল হয়। প্রতিবাদ সমাবেশ – আন্দোলন প্রথম দিকে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা উগ্রপন্থীদের সক্রিয়তায় সহিংস হয়ে উঠে। মূলতঃ পাঁচটি দল এই আন্দোলনের এবং ধ্বংসযজ্ঞের যৌথ সেনাপতি। দলগুলি হলঃ আরসেনিক ইয়াতসেনিউকের নেতৃত্বাধীন ফাদারল্যান্ড পার্টি, ভিটালি ক্লিৎস্কো নেতৃত্বাধীন উডার পার্টি, ওলেগ তিয়াগনিবক নেতৃত্বাধীন ফ্রিডম পার্টি ( সভবদা পার্টি) ,ইউরি লুতসেঙ্কো নেতৃত্বাধীন তৃতীয় গনপ্রজাতান্ত্রিক সংগঠন ও মিকোলা কাতেরিনচাক  নেতৃত্বাধীন ইউক্রেনের ইউরোপিয়ান পার্টি। উক্ত দলসমূহের প্রত্যেকটিই ইউরোপ-আমেরিকার তল্পিবাহক হিসাবে পরিচিত। আমেরিকার কূটনৈতিক ভিক্টোরিয়া ল্যুন্যান্ড ও ইউক্রেনে নিযুক্ত আমেরিকার রাস্ট্রদূতের বহুল প্রচারিত ফোনালাপ বলে দেয় ইউক্রেনের নেতারা কে কার স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। এখন স্পষ্ট যে আরসেনিক ইয়াতসেনিউক আমেরিকার প্রতিনিধি , ভিটালি ক্লিৎস্কো জার্মানির প্রতিনিধি আর সভবদা পার্টি হিটলারের নাজি সমর্থক।  উল্লেখ্য যে, উক্ত দলসমূহের প্রত্যেকটির প্রভাবাধীন অঞ্চল হচ্ছে ইউক্রেনের কেন্দ্র ও পশ্চিমাঞ্চল।  অপরদিকে, অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেণ্ট ইয়ানোকোভিচের আঞ্চলিক পার্টি রাশিয়াপন্থী বলে পরিচিত এবং ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিন পূর্ব শিল্পাঞ্চলে এর বিরাট প্রভাব।

ইউরোপপন্থী দলসমূহের আন্দোলনের তীব্রতার প্রতিক্রিয়ায় সরকারপক্ষ বিষয়টিকে  পার্লামেন্টে ভোটের মাধ্যমে সমাধান করতে চায়। ভোটের ফলাফলে বিরোধীরা হেরে যায়। কিন্তু তারা তাদের দাবি থেকে সরে না গিয়ে ইয়ানোকোভিচের ইম্পিচমেন্ট, পদত্যাগ দাবী করে অন্তর্বতিকালীন নির্বাচন দাবী করে। বিরোধীরা আন্দোলনের জোট গঠন করে যা মাইদান বা ইউরোমাইদান বা ইউক্রেনের স্বাধীনতা স্কয়ার  হিসাবে পরিচিতি পায়। তাদের এই তথাকথিত দাবিনামার সাথে একাত্ত্বতা ঘোষণা করে  আন্দোলনকারীদের সাথে মিছিলে যোগ দেন আমেরিকার সিনেটর ম্যাককেইন থেকে শুরু করে ইউরোপের প্রভাবশালী পার্লামেন্ট সদস্য । পোল্যান্ডের  এক এমপি এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে মাইদানে তাবু টাঙ্গিয়ে আন্দোলনকারীদের সাথে যোগ দেয়। একটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এ এক নজিরবিহীন ঘটনা!

ইয়ানোকোভিচের সরকার প্রথমে আন্দোলনকে দমনের দিকে গেলেও পরে পিছু হটে, আলোচনার পথ বেছে নেয়। কিন্তু পিছু হটে না আন্দোলনকারীরা। তারা তাদের তান্ডব চালাতে থাকে, সরকারকে কোনঠাঁসা করতে থাকে । ফলশ্রতিতে, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ সরকার ও বিরোধীদল তথাকথিত আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় ২০০৪ সালের সংবিধানে  ফিরে যাওয়া, অন্তর্বতিকালীন নির্বাচন ঘোষণা এবং জেলবন্দি সাবেক দূর্নিতগ্রস্ত  প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া টেমসেঙ্কো , ২০০৪ সালের  অরেঞ্জ রেভলিউশনের বিজয়িনীকে মুক্ত করার শর্ত আরোপিত হয় । কিন্তু এই সমঝোতা নাটকীয়ভাবে পরের দিনেই পরিসমাপ্তির মুখ দেখে। ইয়ানোকোভিচকে ক্ষমতাচ্যুত করে নতুন পার্লামেন্ট ঘোষিত হয়,  জার্মান তথা ইউরোপের প্রতিনিধিকে রেসের দৌড়ে পরাস্ত করে  আমেরিকার প্রতিনিধি আরসেনিক ইয়াতসেনিউক  ঘোষিত হয় নতুন প্রধান মন্ত্রী । রাশিয়ান সহ সকল আঞ্চলিক ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার আইন পাশ হয়। আইনশৃংখলা বাহিনী বারকুটকে শুধু বাহিনী হিসাবে বাতিলই করে না  খোলা ময়দানে জনগণের সামনে হাটু গেরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে তাদেরকে  অপদস্ত করে। সর্বোপরি, কিয়েভ শহরে লাগাতার সহিংসতা, সরকারী অফিস আদালত পুঁড়িয়ে দেওয়া,লেনিনের মুর্তি ভেঙ্গে ফেলা , মানুষ হত্যা  ইত্যাদি পুর্বাঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। তারা তাদের জাতিগত অস্তিত্ব বিপন্ন হতে দেখেছে। এখানেই নাটকের পরবর্তি অংশের শুরু।

৫৮ শতাংশের বেশি রাশিয়ান জাতি অধ্যুষিত স্বায়ত্ত্বশাসিত ক্রিমিয়া স্বঘোষিত কিয়েভ সরকারকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। তাদের আদেশ নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানায় এবং হাজার হাজার জনতা রাশিয়ান পতাকা হাতে কিয়েভ সরকারকে ধিক্কার জানায়। তাদের পথ  অনুসরণ করে পুরা দক্ষিন পুর্ব অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে কিয়েভ সমর্থকদের সরকারী অফিস আদালত থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করে। এবং তারা কিয়েভ সরকারের রোষানল থেকে  বাঁচার জন্য রাশিয়ার কাছে সামরিক সহযোগীতা চান। এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার পার্লামেন্ট রাশিয়ান জাতিকে রক্ষার প্রয়োজনে ক্রিমিয়ায় সৈন্য পাঠানোর প্রস্তাব পাশ করেন। কিয়েভ সরকার রাশিয়াকে ঠেকাতে চেচেন ইসলামি জঙ্গী যাকে রাশিয়ান তালেবান বলা হয় যে অসংখ্য বোমা হামলা, মানুষ হত্যার  সাথে জড়িত সেই উমারভের সহযোগীতা চেয়েছে।  অন্যদিকে রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তে ইউরোপ আমেরিকা স্বাধীনতা  সার্বভৌমত্বের বুলি আওড়িয়ে রাশিয়াকে একঘরে করার হুমকি দিয়ে চলেছে।

এতক্ষনের আলোচনায় যা উঠে এসেছে তা আসলে ইউক্রেনে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনা এবং তার প্রতিক্রিয়ার বিবরণ । এবার যাওয়া  যাক ঘটনার আন্তঃসম্পর্কের দিকে।

কে এই ইয়ানোকোভিচ? কি তার আসল পরিচয়? সোভিয়েত ইউনিয়নে বেড়ে উঠা, শিক্ষা লাভ এবং ট্রান্সপর্ট কোম্পানিতে ম্যানেজারের চাকরি লাভ যার ছোটবেলা কেটেছে ক্ষুধা ,দারিদ্র্যে যাকে নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়েছে ( টেলিগ্রাফ ১২ জানুয়ারী,২০১০) অথচ কিসের বলে আজ তিনি কয়েক বিলিয়ন ডলারের মালিক? এই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে কেমন করে  ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরে সামাজিক সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ায় একদল লুন্ঠনকারীর হাতে বিশাল সম্পত্তি চলে যায়। ইউক্রেন ইউরোপের সবচেয়ে গরীব দেশে পরিনত  হয়। তিনি তারই একজন এবং তিনি তার দল পার্টি  অব রিজিওনের মাধ্যমে সেই অংশের মানুষকেই প্রতিনিধিত্ব করেন। অন্যদিকে, যে বিরোধী দলসুমূহকে দেখা যাচ্ছে তারাও লুটপাটকারীর অপর অংশকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে গাঁট বেঁধে দেশের মানুষকে শুষে নিতে চায়। তাদের মধ্য থেকে সর্বাধিক আশির্বাদপুষ্ট নেতা আরসেনিক ইয়াতসেনিউক ইউক্রেন ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রধান ছিলেন। তিনি যে আই এম এফের কাছে ঋণ নিয়ে জনতার উপর কৃচ্ছতা সাধনের নীতির পক্ষের লোক তা তার কথায় প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন আমরা আই এম এফের শর্ত পূরণ করব।  তিনি তার সরকারে যাদের   নিয়োগ  দিয়েছেন তার সামান্য ফিরিস্তি দিলে স্পষ্ট হয়ে যাবে তিনি কাদের স্বার্থ রক্ষাকারী। আইগর কলমস্কি, ইউক্রেনের তৃতীয় ধনী ব্যাক্তি যিনি ২.৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক নিয়োগ পেয়েছেন দেনপ্রপেত্রেভস্কের গভর্নর হিসাবে এবং শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থানকারী সেরগেই তারুতা নিয়োগ পেয়েছে দানিইউস্কের গভর্নর হিসাবে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পরে যারাই ক্ষমতায় গেছে তারা মুষ্টিমেয় পুঁজিপতির স্বার্থই রক্ষা করে এসেছে। ইউক্রেনে ১৯৯১ সালের দিকে ৫১.১ মিলিয়ন জনসংখ্যা ছিল । স্বাস্থ্য খাতকে বেসরকারীকরণ করায় এই খাত গরীব জনতার নাগালের বাইরে চলে যায়।  জন্মহার কমে যায় বেড়ে যায়  মৃত্যু হার- জনসংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৪৫ মিলিয়নে। দেশের কলকারখানা থেকে আবাদি জমি দেশি বিদেশী মালিকের দখলে চলে যায়।ল্যান্ডকম নামে ব্রিটিশ একটি গ্রুপ কিনে নেয় ১ লক্ষ হেক্টর সুফলা জমি, রাশিয়ান হেজ ফান্ড  কিনে নেয় ৩ লাখ হেক্টর জমি । গোটা দেশ যেন লুটপাটের এক অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। আর এর সকল বোঝা বয়ে ইউক্রেন আজ ইউরোপের সবচেয়ে গরীব দেশ। দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা সরকারী হিসাবে ২৫%, বেসরকারী হিসাবে ৮০%।  জনগণ এই অবস্থার উত্তরণ চায় কিন্তু তারা নানান আশা ও আশঙ্কার গোলকধাঁধায় আচ্ছন্ন। শাসকগোষ্ঠীর কেউ তাদের ইউরোপীয় জীবনমানের স্বপ্ন দেখালে তাদের দিকে ঝুকে পড়ে আবার ইউরোপপন্থীদের প্রবল অ্যান্টি রাশিয়ান মনোভাব পূর্বাঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলে রাশিয়াপন্থী দলের কাছাকাছি নিয়ে যায়। সুতরাং,  এদের কেউ ক্ষমতায় থাকলে জনগণের মৌলিক সমস্যার কোন পরিবর্তন হবে না। চাই জনগণের নিজস্ব শক্তি যারা পুঁজিবাদী শোষণমূলক ব্যাবস্থার উৎপাটন ঘটিয়ে শোষণহীন সমাজ নির্মান করবে।

যে পশ্চিমা বিশ্ব মুখে সর্বদাই শান্তিপুর্ন আন্দোলনের কথা বলে আসে, যাদের কাছে পার্লামেন্ট হচ্ছে  সমঝোতার পবিত্র জায়গা তারা যাদের সমর্থন জোগাল তারা আগাগোড়াই অগ্নিসংযোগকারী , অস্ত্রবাজ, ভয়ঙ্কর নাৎসি ফ্যাসিস্ট। প্রথম দিকে কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত ও নিহত  হলেও পরবর্তিতে সাধারন মানুষ, আইন শৃংখলায় নিয়োজিতদের অনেকেই আন্দোলনকারীদের আক্রমণে আহত ও নিহত হয়। তারা পুরা কিয়েভ শহরকে  ভূতুড়ে বানিয়ে ফেলে।  লেনিনের অসংখ্য মুর্তিকে ভেঙ্গে ফেলে সেখানে ইউক্রেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে নাৎসি সহযোগীদের পতাকা উত্তোলন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কমিউনিস্ট, পোলিশ, ইহুদি নিধনে নাৎসিদের সহযোগী স্তেপান বান্দেরার সমর্থনে ১৫০০০ মানুষের মিছিল হয় । ওলেগ তিয়াগনিবক নেতৃত্বাধীন ফ্রিডম পার্টি (সভবদা পার্টি ) কমিউনিস্টদের রাজনৈতিক খুণ ঘোষণা করে। ক্ষমতায় বসে রাশিয়াকে মোকাবেলা করতে তারা ইসলামি জঙ্গিকে নিয়োজিত করতে দ্বিধা বোধ করে না। আর এদেরই হিংস্র ইচ্ছাকে  বাস্তবায়নের জন্য ইউরোপ আমেরিকা জনগণের ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর কথা বলে। ভন্ডামির নমূনা বটে!

কিয়েভে নিয়ন্ত্রণ আরোপকারী সরকার আই এম এফ এর কাছে ১৫ বিলিয়ন ডলারের আশ্বাস পেয়েছে যদিও এ বছরটা পার করতে তাদের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন। কিন্তু আই এম এফের শর্ত কি? তাদের ঋণের টাকা সরকার যাতে যথাসময়ে সুদসহ ফেরত দিতে পারে সেজন্য জনগণকে একটু কষ্ট করতে হবে। সরকারী সেবা কমে যাবে, জ্বালানীর দাম একটু বেড়ে যাবে, বেকার সমস্যা আর একট বাড়বে, বেসরকারীকরণে আর একটু গতি আসবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।  তাতে কি খেলোয়াড়েরাতো তাদের ইউরোপের জীবনমান এনে দিতেই চেয়েছেন। গ্রীস স্পেন যে ইউরোপের মধ্যে তাতো ভূগোল অথবা গুগল ঘাঁটলেই টের পাওয়া যায়।  খেলোয়াড়েরা তা জানে শুধু জানতে পারল না ভুক্তভোগী জনতা।

 

 

 

 

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s